ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন মালয়েশিয়া থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনছে সরকার, অক্টোবরে চুক্তি: বিমানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই: উপদেষ্টা জাহেদ বাংলাদেশিদের জন্য খুললো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের বিশেষায়িত ওষুধে শুল্কছাড় দিলো যুক্তরাষ্ট্র ভ্যাট রিটার্ন জমার নতুন নিয়ম অনুমোদন, একনেকে ১৫ প্রকল্প দেশে আরও কমলো স্বর্ণের দাম বৃহস্পতিবার ফেনী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী রূপপুরের জ্বালানিবাহী বিমানকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি পাকিস্তান প্রাথমিকের বঞ্চিতরা ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগপত্র পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী কারাগারে নেওয়ার পথে ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত ২ হাজার টাকা ছাড়ালো ১২ কেজির সিলিন্ডার লালমনিরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৩ বেলুচিস্তানে সেনা অভিযানে ভারতীয় মদতপুষ্ট ৭১ জন নিহত ছাত্র আন্দোলনের মুখে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচের পদত্যাগ নারীদের জন্য আসছে আরও ১০০ পিংক বাস নেপাল ভ্রমণে বাংলাদেশি পর্যটকদের সতর্ক করল দূতাবাস দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েই বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন

গাজায় দুর্ভিক্ষের ‘প্রথম ধাপে’ ফিলিস্তিনিরা

  • আপলোড সময় : ২০-০৩-২০২৫ ০৫:৪৩:০৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৩-২০২৫ ০৫:৪৩:০৬ অপরাহ্ন
গাজায় দুর্ভিক্ষের ‘প্রথম ধাপে’ ফিলিস্তিনিরা
গাজায় দুর্ভিক্ষের প্রথম ধাপে প্রবেশ করেছেন ফিলিস্তিনিরা। খাদ্য সংকটে দুই লাখের বেশি মানুষ। ত্রাণ প্রবেশ করতে না পারলে মানবিক বিপর্যয় আরও বাড়বে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন সংস্থা। এদিকে, পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে ভেঙে পড়েছে গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও।
 রূপ নিচ্ছে গাজার পরিস্থিতি। খাদ্য, পানি, জ্বালানি—সবকিছুর সংকটে জর্জরিত উপত্যকার বাসিন্দারা। গাজার সরকারি গণমাধ্যমের প্রধান ইসমাইল থাওয়াবতে জানিয়েছেন, উপত্যকাটি আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ভিক্ষের প্রথম ধাপে প্রবেশ করেছে। গাজায় এখন কোনো খাদ্য নিরাপত্তা নেই। সমস্ত বাজার ফাঁকা, পাওয়া যাচ্ছে না নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য।


 
খাদ্য সংকটের পাশাপাশি সুপেয় পানির সমস্যাও প্রকট আকার ধারণ করেছে। জ্বালানি না থাকায় বন্ধ হয়ে গেছে অনেকগুলো পানির কূপ। জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম জানিয়েছে, ২ মার্চের পর তারা গাজায় কোনো খাদ্য সহায়তা পাঠাতে পারেনি। ত্রাণের অভাবে বেশিরভাগ বেকারিও বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে পাওয়া যাচ্ছে না ন্যূনতম খাদ্যদ্রব্য। 
 

 
প্রতিদিন ক্ষুধার্ত অবস্থায় দিন কাটানোর কথা উল্লেখ করে গাজার এক বাসিন্দা বলেন, আমার খাবার কেনার সামর্থ্য নেই। এরমধ্যেও আমরা রোজা পালন করছি। এই পৃথিবীতে আর কে সহ্য করে? আমাদের ওপর দয়া করুন।
 

এদিকে, পর্যাপ্ত ত্রাণের অভাবে গাজার চিকিৎসাব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। পর্যাপ্ত ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে রোগীদের চিকিৎসা দিতে পারছে না ৮০ শতাংশ হাসপাতাল। অ্যানেস্থেসিয়ার সরবরাহ না থাকায় সার্জারি করাও সম্ভব হচ্ছে না।
 
গাজা উপত্যকায় ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিতে ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। বুধবার (১৯ মার্চ) এক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি জানায়, গাজায় ত্রাণ প্রবেশ করতে না দেয়া হলে দুর্ভিক্ষ আরও বড় আকার নেবে। 

কমেন্ট বক্স